রাজবাড়ীর সদর উপজেলার পাচুরিয়া ইউনিয়নে এক দম্পতি তাদের জামাইয়ের বিরুদ্ধে প্রায় দুই কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি প্রতারণামূলকভাবে লিখে নেওয়া, ভরণপোষণ না দেওয়া ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তারা জামাইয়ের কাছ থেকে সম্পত্তি ফেরত পাওয়ার দাবিও জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী মুছাববর খাঁ বলেন, তার স্ত্রী ৪ মাস বয়সের কন্যা সন্তানকে লালন-পালন করে বড় করেছেন। পরে তার বোনের ছেলের সঙ্গে কন্যার বিয়ে দিয়েছেন এবং জামাইকে সৌদি আরব পাঠান। ২০ বছর বিদেশে থাকার সময় জামাই কোনো অর্থনৈতিক সহায়তা দেননি। উল্টো ভুক্তভোগী দম্পতি জামাইয়ের দুই ছেলে ও দুই মেয়েকে লালন-পালন করেছেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, জামাই তাদের জমিজমা লিখে নেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভরণপোষণ দেওয়ার কথা থাকলেও পরে কোনো সহায়তা দেননি। বর্তমানে পরিবারের দৈনন্দিন খরচ, ওষুধ এবং বিদ্যুতের খরচও চালাতে পারছেন না। স্থানীয় সন্ত্রাসীদের হুমকি-ধামকির কারণে বাধ্য হয়ে রাজবাড়ী সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা করেছেন।
অন্যদিকে, জামাই মজিবুর ব্যাপারী দাবি করেন, বিয়ের পর তিনি ১৭–১৮ বছর সৌদি আরবে ছিলেন এবং শ্বশুরকে অর্থ পাঠিয়েছেন। এছাড়া, সম্পত্তি ক্রয়ের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বৈধ ছিল। তিনি বলছেন, শ্বশুরের অভিযোগ মিথ্যা এবং আদালতের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান হবে।
এ ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এবং আদালতের বিচার কার্যক্রমের প্রতি সাধারণ মানুষ মনোযোগ রাখছে।


