কক্সবাজার শহরের পল্লানকাটা এলাকায় ছুরিকাঘাতে গণেশ পাল (২৯) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শনিবার (৭ মার্চ) বিকেল ৩টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল-এর মর্গে পাঠানো হয়। এ সময় হাসপাতাল চত্বরে স্বজনদের আহাজারি করতে দেখা যায়।
এর আগে দুপুর ২টার দিকে পল্লানকাটা এলাকার একটি বাড়ির সামনে ওই যুবককে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন।
নিহত গণেশ পাল শহরের পৌরসভা মার্কেটের একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। তার ভাই আশীষ পাল গণমাধ্যমকে জানান, পল্লানকাটায় নতুন একটি বাড়ি নির্মাণ করছিলেন গণেশ। সেখানে সেপটিক ট্যাংক বসানোর কাজ চলছিল। সকালে তিনি দোকানে ছিলেন, পরে বাড়ির কাজ দেখতে সেখানে যান।
আশীষ পালের দাবি, বাড়ি নির্মাণের কারণে স্থানীয় কিছু যুবক রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে তার ভাইয়ের কাছে চাঁদা দাবি করছিল। চাঁদা না দেওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি এবং খুনিদের শাস্তি দাবি করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী জিসান ও তার সহযোগীরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। জিসান পল্লানকাটা এলাকার মোহাম্মদ জাকির-এর ছেলে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে রাজবিহারী দাশ, কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর বলেন, দিনদুপুরে চাঁদার জন্য এ ধরনের হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত নিন্দনীয়। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
কক্সবাজার সদর মডেল থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমি উদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে নিহতের পরিবার দাবি করছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি।


