মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ২০২৬ সালের প্রথম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, এদিনের গ্রহণটি হবে পূর্ণগ্রাস—অর্থাৎ পূর্ণিমার চাঁদ পুরোপুরি পৃথিবীর ছায়ায় ঢেকে গিয়ে রক্তিম আভা ধারণ করবে। এই বিরল দৃশ্য ‘ব্লাড ওয়ার্ম মুন’ নামেও পরিচিত।
ব্লাড মুন বা পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ কী?
যখন পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে এসে পড়ে, তখন সূর্যের আলো সরাসরি চাঁদে পৌঁছাতে পারে না। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল দিয়ে বেঁকে যাওয়া লাল আলো চাঁদের গায়ে পড়ে, ফলে চাঁদ গাঢ় লাল বা তামাটে রঙ ধারণ করে। একেই বলা হয় পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ বা ‘ব্লাড মুন’।
কখন ও কতক্ষণ?
নাসার তথ্য অনুযায়ী, পুরো গ্রহণ প্রক্রিয়া চলবে ৫ ঘণ্টারও বেশি সময়।
- পূর্ণগ্রাস শুরু: বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫:০৪ মিনিটে
- পূর্ণগ্রাস শেষ: সন্ধ্যা ৬:০৩ মিনিটে
অর্থাৎ প্রায় এক ঘণ্টা চাঁদকে টকটকে লাল রঙে দেখা যাবে।
কোথায় দেখা যাবে?
যেসব দেশ থেকে পরিষ্কার দেখা যাবে:
- লস অ্যাঞ্জেলেস
- নিউ ইয়র্ক
- টোকিও
- সিউল
- সিডনি
- অকল্যান্ড
বাংলাদেশ ও ভারত:
বাংলাদেশ ও ভারতের আকাশ থেকে এই পূর্ণগ্রাস গ্রহণ সরাসরি দেখা সম্ভব হবে না।
অনলাইনে দেখার সুযোগ
আকাশ মেঘলা থাকলে বা আপনার এলাকা থেকে দৃশ্যমান না হলে অনলাইনে লাইভ দেখা যাবে
Griffith Observatory – ইউটিউব চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার
Timeanddate.com – লাইভ ট্র্যাকিং সুবিধা
Virtual Telescope Project – আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদদের সঙ্গে যৌথ সম্প্রচার
কেন গুরুত্বপূর্ণ?
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, ২০২৬ সালের এই ঘটনার পর ২০২৮ সাল পর্যন্ত আর কোনো পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে না। তাই এটি মহাকাশপ্রেমীদের জন্য একটি বিশেষ সুযোগ।


