কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে আবারও ব্যাপক হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। শুক্রবার (৬ মার্চ) আল জাজিরা-র এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা যায়।
ইরানের সেনাবাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে এই হামলার দায় স্বীকার করে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে একঝাঁক ‘ধ্বংসাত্মক’ ও নতুন প্রজন্মের ড্রোন পাঠিয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের দাবি, গত কয়েক ঘণ্টায় বিপুল সংখ্যক ড্রোন দিয়ে এই ঘাঁটিগুলোতে উপর্যুপরি আঘাত হানা হয়েছে এবং আগামী কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকতে পারে।
ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তাদের এই অভিযান শুধু কুয়েত-এ সীমাবদ্ধ নয়। নতুন প্রজন্মের শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রগুলো এখন উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোর পাশাপাশি ইসরায়েল-এর অভ্যন্তরেও আঘাত হানছে বলে দাবি করা হয়েছে।
আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের প্রধান প্রবেশদ্বার বেন গুরিয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়াও হাইফা এবং তেল আবিব-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরেও বড় ধরনের হামলা চালানো হয়েছে।
তবে এই হামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
তেহরানের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, কুয়েতের যে দুটি মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, সেগুলো থেকে ইরানের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি এবং সামরিক তৎপরতা চালানো হচ্ছিল বলে তাদের দাবি।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই হামলার খবর নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে।


