টানা অষ্টম দিনে গড়িয়েছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-এর মধ্যে পাল্টাপাল্টি সংঘাত। এক সপ্তাহে ইরানের অন্তত তিন হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এতে দেশটিতে প্রাণহানির সংখ্যা ১৩০০ ছাড়িয়েছে বলে জানা গেছে।
হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে ইরান ও লেবানন-এর বিভিন্ন বেসামরিক এলাকা। ইসরায়েলের বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে মেহরাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ। হামলার আতঙ্কে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছে সাধারণ মানুষ।
এদিকে, ইরানকে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Truth Social-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, আত্মসমর্পণের আগে ইরানের সঙ্গে কোনো আলোচনায় যাবে না ওয়াশিংটন।
সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাজ্য সৌদি আরব-কে অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করছে বলে খবর পাওয়া গেছে। পাশাপাশি সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আবারও আলোচনা করেছে পাকিস্তান।
অন্যদিকে, ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহায়তা করছে রাশিয়া—এমন খবরে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সেই অনুযায়ী তাদের সামরিক পরিকল্পনা সাজাচ্ছে।
এদিকে আরেক দফায় ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। সৌদি আরব, কাতার, জর্ডান এবং বাহরাইন-এর দিকেও তেহরান থেকে ছোড়া একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে বলে জানা গেছে। তবে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো।
অন্যদিকে, ইরান জানিয়েছে তারা পুরোপুরি বন্ধ করবে না হরমুজ প্রণালী। তবে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো জাহাজ চলাচল করতে দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেছে তেহরান।


