আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ৯ এপ্রিল

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় নিহত আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ৯ এপ্রিল দিন নির্ধারণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী-এর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ তারিখ নির্ধারণ করেন। প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর

মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়-এর তৎকালীন উপাচার্য হাসিবুর রশীদসহ মোট ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ছয়জন বর্তমানে গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলেন—এএসআই আমির হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল এবং আনোয়ার পারভেজ

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর মঈনুল করিম। আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ২৭ জানুয়ারি মামলার যুক্তিতর্ক শেষ হলে রায়ের জন্য বিষয়টি অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল। ওই দিন আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের পর প্রসিকিউশনের পক্ষে জবাব দেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা পাল্টা জবাব দেন।

গত ২১ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক শুরু হয়ে ২৫ জানুয়ারি শেষ হয়। তিন কার্যদিবসে মামলার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মূল ফটকের সিসিটিভি ফুটেজও ট্রাইব্যুনালে প্রদর্শন করা হয়, যেখানে ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দৃশ্য ধারণ করা হয়েছিল। ভিডিওতে অভিযুক্তদের অবস্থান ও কার্যকলাপ চিহ্নিত করে দেখানো হয় এবং ৩০ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করা হয়।

গত বছরের ২৭ আগস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল। এর আগে ৩০ জুন অভিযোগ আমলে নেওয়া হয় এবং ২৪ জুন তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।