অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ বিদায়ে হতাশা, কিন্তু ম্যাকগ্রা অবাক নন

অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ছিটকে যাওয়ায় হতাশা থাকলেও অবাক নন দেশটির পেস কিংবদন্তি গ্লেন ম্যাকগ্রা। মূল কারণ, দলের অভিজ্ঞ পেসারদের অনুপস্থিতি এবং তরুণ প্রজন্মের দ্রুত বিকল্প খুঁজে পাওয়া সহজ নয়।

চেন্নাইয়ের পেস ফাউন্ডেশন মাঠে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ম্যাকগ্রা বলেছেন, “ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার ব্যবহৃত পেসারদের দেখুন—স্কটি বোল্যান্ড, মাইকেল নেসার, ঝাই রিচার্ডসন—তাদের দীর্ঘ সময় ধরে খেলতে হয়েছে। ফলে তরুণ পেসারদের সঙ্গে এই অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের স্থানান্তর করা কঠিন।”

তিনি আরও বলেন, “নাথান এলিস প্রতিভাবান হলেও কিছুটা রক্ষণাত্মক। জ্যাক এডওয়ার্ডস ও মাহলি বেয়ার্ডম্যানকে দেখেছি, তারা ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। কিন্তু কামিন্স, স্টার্ক, হ্যাজলউডরা অনুপস্থিত থাকায় দল একটি বড় ফাঁকা অনুভব করছে।”

ম্যাকগ্রা মনে করেন, বিগ ব্যাশ ও আইপিএলে খেলাই তরুণদের অভিজ্ঞতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। তিনি বলেছেন, “যত বেশি খেলবে, তত আত্মবিশ্বাস পাবেন। স্টিভ স্মিথ, ট্রাভিস হেডের মতো সিনিয়র ক্রিকেটারদের দিকনির্দেশনা দরকার। তবে বিশ্বকাপে আমাদের সেরা পারফর্ম করা সম্ভব হয়নি।”

তিনি অব্যর্থভাবে যুক্তি দেখিয়েছেন, “অস্ট্রেলিয়া সম্ভবত শীর্ষ আটে যেতে পারত, কিন্তু কামিন্স, হ্যাজলউড, স্টার্ক অনুপস্থিতি বড় ফাঁকা তৈরি করেছে। জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে কিছু খেলোয়াড়ের সুযোগ না পাওয়া, খেলোয়াড় নির্বাচনে অনিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে হতাশা রয়েছে, তবে বিস্ময় নয়।”

অস্ট্রেলিয়ার বিদায় একটি হতাশাজনক হলেও পূর্বাভাসযোগ্য ফলাফল, যেখানে আগামী প্রজন্মের পেসারদের বিকাশই দেশের জন্য মূল চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়াচ্ছে।